এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ সব ধরনের অব্যবস্থাপনা রোধে কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে আজ সোমবার  ১০টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ২০১৯ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার দেশের ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি পরীক্ষায় মোট অংশ নিচ্ছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৫ জন। এই পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮৮ হাজার ৪৫১ জন।

 

এবার দেশের বাইরের ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। এছাড়া শাররিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি ২০ মিনিট সময় বরাদ্ধ করা হয়েছে এবং অটিজমসহ বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে, এমন শিক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট বাড়তি সময় দেয়া যাবে।

 

পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের মধ্যে শুধু কেন্দ্র সচিব সাধারণ মানের একটি ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিকস যন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন না। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধসহ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আজ ১ এপ্রিল থেকে আগামী ৬ মে পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

 

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসসংক্রান্ত গুজব বা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নজরদারি জোরদার করেছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

 

পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্যরা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না। এবারও পরীক্ষা শুরুর মাত্র ২৫ মিনিট আগে কোন সেট প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে, তা নির্ধারণ করে জানানো হয়। এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

 

পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র বণ্টনে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সে জন্য নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের আলাদা কক্ষে আসনবিন্যাস করে প্রশ্নপত্র বিতরণ করার নির্দেশনা রয়েছে।

 

লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ মে। এরপর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।