কমছেনা বৃষ্টি,ঝুঁকি এড়াতে খোলা হয়েছে ৫৩টি আশ্রয় কেন্দ্র

পাঁচ দিন ধরে রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলায় বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। দিনরাতে থেমে থেমে হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বর্ষণ চলছে। এতে মানুষের জীবন যাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা বর্ষনে বিভিন্ন স্থানে মাটি ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের ফলে ঘাগড়া এলাকায় রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। বৃষ্টি আর পাহাড়ী ঢল নামতে শুরু করায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতাও বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে পাহাড় ধসে প্রানহানি এড়াতে কাউখালী উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নর অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ৫৩টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রায় ৪শতাদিক লোককে সড়িয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবার দেয়া হচ্ছে। আজ সকাল থেকে আবারো ভারী বর্ষণ শুরু হলে মানুষের মাঝে আতংক দেখা দেয়। পাঁচ দিনের টানা বর্ষণের ফলে বুধবার দুপুরে কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শতরুপা তালুকদারের নেত্বিত্বে ঘুরে দেখা গেছে নিজেদের সহায় সম্বল রক্ষায় এখনো অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের খাদে বসবাস করছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের সহযোগীতাই ৭০টি পরিবারকে আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। কাউখালী উপজেলার সবচেয়ে ঝুকিপূর্ন বেতবুনিয়া ,ডাকবাংলো, সোনায়ছড়ি, ঘাগড়া ,কলাবাগান,ফটিকছড়ি সহ বেশ কিছু ঝুকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসনের একটি মোবাইল টিম কাজ করছে। এদিকে রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার মাটি সরি গিয়ে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া ঘাগড়ার কলাবাগান এলাকায় ছড়ার পানির কারণে ভেঙ্গে গেছে রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম সড়কের রাস্তার বিশাল অংশ। গতকাল বিকালে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শতরুপা তালুদার সড়কটি পরিদর্শন করে সড়ক সংস্কারের জন্য রাঙামাটি জেলা প্রশাসককে জানালে দ্রুত সড়ক ও জনপদ বিভাগকে রাস্তাটি সংস্কারের নির্দেশদেন। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শতরুপা তালুকদার জানান,দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বমোট ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে,খাবারের ব্যবস্থা করেছেন এবং কাউখালী উপজেলা প্রশাসন সব সময় প্রস্তুত আছে দুর্যোগ মোকাবেলায়।

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like