কমছে তিস্তার পানি, বেড়েছে ভাঙন

টানা বৃষ্টি, উজানের ঢল ও ভারতের গজলডোবার গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীতে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া পানি কমতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৬টায় পানি কিছুটা কমে গিয়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ধসে পড়ছে তিস্তার দু’পাড়। অনেকেই বসতবাড়ি, আবাদি ফসল, মৎস্য খামার হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, নীলফামারীতে মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে হঠাৎ করে বিপৎসীমা ৩৩ দশমিক ২ সেন্টিমিটার অতিক্রম করে তিস্তা নদীর পানি। তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে দিনগত রাত ২টায় তা বিপৎসীমা ৪৮ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার অতিক্রম করে এবং ভোর ৪টায় আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে বুধবার (২০ অক্টোবর) বেলা ১২টা থেকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৩ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। বিকেলের দিকে তা বেড়ে বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ওঠে। পরে রাত থেকে পানি কমতে থাকে।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানরা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে গিয়ে সমস্যাগুলো দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে ভাঙন এলাকাগুলো ডিমলা উপজেলা চেয়ারম্যান পরিদর্শন করেছেন। আমাদের একার পক্ষে সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সংগঠনগুলোকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আহ্বান করছি।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যে তিস্তার পানি কমতে শুরু করেছে। এখন তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বালুভর্তি বস্তা ফেলা হচ্ছে।

You might also like