করোনা ধ্বংসকারী নাকের স্প্রে উদ্ভাবনের দাবি বিআরআইসিএম’র

১৫০

নাক, নাসিকারন্ধ্র, মুখ গহ্বর, শ্বাস ও খাদ্যনালীর মিলনস্থলে অবস্থান করা নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ধ্বংস করতে সক্ষম ‘ন্যাজাল স্প্রে’ উদ্ভাবনের দাবি করেছে বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস (বিআরআইসিএম)।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রথমবারের মতো বিষয়টি সামনে আনে বিআরআইসিএম।

বিআরআইসিএম-এর প্রতিনিধি বৈঠকে জানান, তারা যে সলুশন তৈরি করেছেন তা ৩/৪ ঘণ্টা পর স্প্রে করা হলে নাক, নাসিকারন্ধ্র, মুখ গহ্বর এবং শ্বাস ও খাদ্যনালীর মিলনস্থলে অবস্থান করা করোনাভাইরাস ধ্বংস হবে। এতে কেউ যদি সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি যায় এবং সংক্রমণ ঘটে, তবে এই স্প্রে ভাইরাস ধ্বংস করবে।

আরও জানানো হয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০০ জন কোভিড-১৯ রোগীর মধ্যে এই স্প্রের ট্রায়াল করা হয়েছে। এতে কোভিড-১৯ রোগীর ভাইরাল লোড কমার প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্প্রেটির নাম ‘বঙ্গোসেফ ওরো ন্যাজাল স্প্রে’। বাংলাদেশই প্রথম এ ধরনের স্প্রে উদ্ভাবন করেছে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।

স্প্রে’র বাজারজাতকরণের বিষয়ে ড. মালা খান বলেন, এই ধরণের পণ্যে বিএমআরসির অ্যাপ্রুভাল প্রয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) বিএমআরসিতে আবেদন করা হবে। সেখানে অ্যাপ্রুভাল পেলে ওষুধ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে বাজারে আসবে ওই ন্যাজাল স্প্রে। এক্ষেত্রে, বিআরআইসিআর ও ঢামেক’র ১০ থেকে ১২ জনের একটা দল কাজ করেছে।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশই প্রথম মানবদেহে এই সলিউশন পরীক্ষা করেছে। আমাদের পরে ফ্রান্স একটা করেছে, কিন্তু সেটার স্যাম্পল সাইজ মাত্র ৫ জন।