কর ফাঁকি প্রমাণিত হলে শাকিবের সর্বোচ্চ শাস্তি জেল!

করোনা পরবর্তী সময়ে কাজে বেশ সরব হয়েছেন নায়ক শাকিব খান। শুধু তাই নয়। চলতি বছরে অন্তরাত্মা, লিডার, গলুই সিনেমাগুলোর শুটিং শেষ করেছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান।

গেল ১২ নভেম্বর প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্কে গেছেন দেশের জনপ্রিয় ও আলোচিত নায়ক শাকিব খান। একটি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হয়ে সেখানে গেছেন তিনি। আর সেখান থেকে এলো শাকিব ঘোষণা দেন নতুন সিনেমার।

নতুন ছবি সম্পর্কে জানা গেছে, শুটিংয়ের অংশ বিশেষ হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের হলিউডে।ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফেরার কথা রয়েছে শাকিব খানের। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে এনে শাকিবের ব্যাংক, শেয়ারবাজার, সঞ্চয়পত্রসহ আট বছরের লেনদেনের তথ্য চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এদিকে, ঋণ ও বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব থাকলে সে তথ্যও জানতে বলা হয়েছে। লকার, ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনো স্কিমে বিনিয়োগ থাকলে, তাও পাঠাতে হবে। ২০১৩ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন সময়ে ৮ করবর্ষের লেনদেনসহ যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সম্ভাব্য কর ফাঁকির তথ্য যাচাইয়ের জন্যই এ অভিনেতার গত ৮ করবর্ষের লেনদেনসহ যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেখানে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনবিআরের এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি হিসেবে জরিমানা এবং জেলও হতে পারে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সুপারস্টার শাকিব খানের। তবে সুদ’সহ বাকি থাকা পুরো করের টাকাটা শোধ করে দিলেই এনবিআর এই শাস্তি মওকুফ করে দিবেন।