কোটালিপাড়ায় শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টায় ১৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড

৭২

গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় ৭৬ কেজি বোমা পুঁতে রাখার ঘটনায় ১৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ আদেশ দেন। তাদের ফায়ারিং স্কোয়াডে দণ্ড কার্যকর করার কথাও জানান আদালত। এ মামলার ১৪ আসামির ৫ জন এখনও পলাতক।

আদালত বলেন, হুজি ও জেএমবির মতো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়া প্রয়োজন। তাই তারা ক্ষমা পেতে পারে না।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, মো. লোকমান, মো. ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, মো. মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ, মো. মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল, মো. তারেক, মো. ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, মো. আনিসুল ইসলাম ও সারোয়ার হোসেন মিয়া। আসামিদের মধ্যে মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জামিনে রয়েছেন।

২০০০ সালের ১৯শে জুলাই কোটালিপাড়ায় একটি কলেজের মাঠের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা উদ্ধার হয়। পরের দিন ওই মাঠে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল। এই ঘটনায় শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও বিস্ফোরক আইনে মোট তিনটি মামলা করে পুলিশ।

২০০১ সালে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় মুফতি হান্নানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। ২০০৪ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। পলাতক আসামিরা হলেন আজিজুল হক, লোকমান, মোহাম্মদ ইউসুফ, এনামুল হক ও মোছাহেব হাসান।