খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত

৬৭

খাগড়াছড়ির সদরের গাছবানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউপিডিএফ (প্রসীত)  কর্মী পিপলু বৈষ্ণব ওরফে রনি ত্রিপুরা নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পিপলু বৈষ্ণব জেলার রামগড়ের জগন্নাথপাড়ার বাসিন্দা নিগুম বৈষ্ণবের ছেলে।

পিপলু বৈষ্ণব খুনের ঘটনায় ইউপিডিএফ জেএসএস (এমএন লারমা) দলকে দায়ী করেছে। তবে জেএসএস (এমএন লারমা) এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, পিপলু বৈষ্ণব গাছবান এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে ছিলেন। এ সময় কিছু লোক খুব কাছ থেকে গুলি করলে পিপলু মারা যান।

এ ঘটনার জন্য জেএসএসকে (এমএন লারমা) দায়ী করে ইউপিডিএফের সংগঠক মাইকেল চাকমা সাংবাদিকদের জানান, এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনা।

তবে জেএসএসের ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি ইউপিডিএফের অভ্যন্তকারীণ কোন্দল। এ ঘটনার জন্য জেএসএস (এমএন লারমা) দায়ী নয়।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার পুলিশের একটি সূত্র জানায়, রনি পার্বত্য চট্টাগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সামরিক শাখার সাথে সম্পৃক্ত ছিল। তিনি ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর খাগড়াছড়িতে যৌথ বাহিনী পরিচালিত এক অভিযানে একটি পয়েন্ট টু টু বোরের রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জামসহ ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র(ইউপিপিএফ) তৎকালীন সামরিক শাখার প্রধান উজ্জল স্মৃতি চাকমাসহ পিপলু বৈঞ্চব ওরফে রনি ত্রিপুরা গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

এ নিয়ে আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে নিহত হয়েছেন ৪৭ জন। এর আগে ১৪ জানুয়ারি খাগড়াছড়ির রামগড়ে জনসংহতি সমিতির যুব সমিতির এক নেতা নিহত হন।

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like