গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পালিত হয়েছে বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ ২০১৯

গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ১০ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত পালন করা হয়েছে বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ ২০১৯। নীরব অন্ধত্বের প্রধান কারণ এই গ্লুকোমা নিয়ে সচেতনতার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে গুরুত্বের সঙ্গে সপ্তাহটি পালন করা হয়। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশ গ্লুকোমা সোসাইটিও পালন করেছে এ দিবসটি।

বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সচেনতামূলক লিফলেট, ব্যানার ও পোস্টার প্রকাশ সহ বিনামূল্যে গ্লুকোমা স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এই উপলক্ষ্যে শনিবার ১৬ মার্চ রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ গ্লুকোমা সোসাইটির উদ্যোগে সংগঠনটির সদস্য, নার্স ও সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ গ্লুকোমা সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ডা. এম জিয়াউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা প্রফেসর সৈয়দ মোদাস্সের আলী এবং সংগঠনের ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক সহ আরো অনেকে।

বিশ্বের প্রায় সাত কোটি মানুষ গ্লুকোমা রোগে ভুগছে। বাংলাদেশে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের শতকরা প্রায় তিনজনের গ্লুকোমা রয়েছে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা।

এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে ২৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ গ্লুকোমা রোগে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তের চাপের মতো চোখেরও একটি নির্দিষ্ট চাপ থাকে। চোখের স্বাভাবিক চাপ ১০-২০ মিমি মারকারি। যদি কোনো কারণে এই চাপ বৃদ্ধি পায় তাহলে চোখের অপটিক নার্ভের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং ধীরে ধীরে এ নার্ভটি শুকিয়ে যায়। ফলে দৃষ্টি ক্ষমতা কমতে থাকে এর কারণে অন্ধ হয়ে যেতে পারে মূল্যবান চোখটি। সবচেয়ে আশঙ্কার কথা হচ্ছে, শুরুতে এ রোগের তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায়না। আর দৃষ্টিসীমা কিছুটা নষ্ট হলে সেটুকু আর ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। এটি নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গ্লুকোমাকে নীরব ঘাতক বা ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়।

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি