চলন্ত বাসে ধর্ষণচেষ্টা: বাসের হেলপারের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

৩২

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার বাসের হেলপার রশিদ আহমদ (২২) আদালতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাগীব নূরের কাছে ১৬৪ ধারায় ঘটনায় নিজের সম্পৃক্তার কথা স্বীকার করেন তিনি। এরপর তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

সুনামগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আশেক সুজা মামুন জানান, রশিদ আহমদ আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রশিদ আহমদ সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কামরাঙ্গিরচর গ্রামের হাবিব আহমদের ছেলে।

২৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে সিলেটের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বাস মালিকের সহায়তায় ছাতক উপজেলার বুরাইরগাঁও গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে রশিদ আহমদকে আটক করে। তবে বাসের চালক শহীদ মিয়া এখনও পলাতক রয়েছেন। শহীদ মিয়া সিলেটের জালালবাদ থানার মোগলগাঁও ইউনিয়নের মোল্লারগাঁও গ্রামের তৌফিক মিয়ার ছেলে।

এর আগে, ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে সিলেটের লামাকাজী থেকে দিরাইয়ে যাওয়ার পথে ওই কলেজছাত্রীকে দিরাই পৌরসভার সুজানগর এলাকায় চালক ও হেলপার কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই ছাত্রী চলন্ত বাস থেকেই লাফিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। ওই ছাত্রী বর্তমানে সিলেটের এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বাসের চালক শহীদ মিয়া ও হেলপার রশিদ আহমদকে আসামি করে দিরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।