জরিপ শেষ হলে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের অবসান হবে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

৩৬

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, সারাদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চালানো গণহত্যা নিয়ে পরিচালিত জরিপের কাজ শেষ হলে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের অবসান হবে।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর বাংলা একাডেমীর কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ঃ গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর এবং গণহত্যা নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষনা কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘গণহত্যার পাঁচ দশক : স্বীকৃতি, বিচার ও ইতিহাসের দায়’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক সেমিনারের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

গণহত্যা জাদুঘরের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণহত্যা জাদুঘরের ট্রাষ্টি ও লেখক-সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির।

কে এম খালিদ বলেন, গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান কাজ হলো গণহত্যা-বধ্যভূমি ও গণকবর নিয়ে জেলা জরিপের কাজ পরিচালনা করা ।

তিনি বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নির্মম এই ইতিহাস নিয়ে এত ব্যাপক কাজ হয়নি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই গবেষণা কেন্দ্র ২৮টি জেলায় জরিপের কাজে সম্পন্ন করেছে এবং তা বই আকারে প্রকাশ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এই ২৮টি জেলায় গণহত্যার প্রায় ১৩ হাজার ৮৫৪টি তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিটি গণহত্যায় গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ জন শহীদ হলে এবং বাকি ৩৬টি জেলায় জরিপের কাজ সম্পন্ন হলে মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদদের সংখ্যা ত্রিশ লাখ ছাড়িয়ে যাবে এবং এ বিষয়ে বিতর্কের অবসান ঘটবে।

You might also like