টোলপ্লাজায় ভাংচুরের ঘটনায় এএসপি মশিয়ারকে সিলেটে বদলি

কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর টোলপ্লাজায় ভাংচুর ও কর্মকতা-কর্মচারীদের মারধেরর ঘটনায় প্রত্যাহার সহকারী পু্লশি সুপার (এএসপি) মশিয়ার রহমানকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ থেকে সিলেট রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

গতকাল রাতে বিষয়টি জানান জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নুরে আলম মিনা। ঘটনার কয়েকদিন পর পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাকে সিলেট রেঞ্জ অফিসে বদলি করা হয়েছে এবং মশিয়ার রহমান চট্টগ্রাম ছেড়ে গেছেন বলেও জানান তিনি।

গত ০৩ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে মইজ্জারটেক টোলপ্লাজায় ভাংচুর ও টোলপ্লাজার কর্মকতা-কর্মচারীদের মারধর করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মশিয়ার রহমান।

এ ঘটনায় রাতে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর টোলপ্লাজার ম্যানেজার (প্রশাসন) মহিদুল ইসলাম বাদশা কর্ণফুলী থানায় এএসপি মশিয়ার রহমান, তার গাড়িচালক ও আরও দুইজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর পরই তাকে সেদিনই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

এদিকে বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনজীবীর সহকারী সমর কৃষ্ণ চৌধুরীকে (৬৩) চট্টগ্রাম নগর থেকে ‘তুলে নিয়ে’ অস্ত্র ও ইয়াবা মামলায় ‘ফাঁসিয়ে দেওয়া’ আতিক উল্লাহ নামে আরও পুলিশের আরেক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ক্লোজড করা হয়েছে। গতকাল তাকে ক্লোজড করা হয়।

এর আগে সমর কৃষ্ণ চৌধুরীকে ‘ফাঁসানোর’ ঘটনায় এসআই আরিফকে বোয়ালখালী থানা থেকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছিল। সমর কৃষ্ণ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম নগর থেকে ‘তুলে নিয়ে’ অস্ত্র ও ইয়াবা মামলায় ‘ফাঁসিয়ে দেওয়া’ অভিযোগ ছিল বোয়ালখালী থানার দুই এসআই ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে।

গত ২৭ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের জহুর হকার্স মার্কেটের সামনে থেকে সমর কৃষ্ণ চৌধুরীকে বোয়ালখালী থানা পুলিশ তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠে। পরদিন ২৮ মে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারের মামলা দিয়ে জেলে পাঠায় সমর কৃষ্ণ চৌধুরীকে।

গত ১০ জুলাই অস্ত্র মামলা ও ২৪ জুন ইয়াবার মামলায় জামিন পান সমর কৃষ্ণ চৌধুরী। ১২ জুলাই তিনি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি