তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ, অতিথি পাখি নয়: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তৃণমূলের নেতাকর্মীদেরকে দলের প্রাণ হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচনে রাজনীতির অতিথি পাখিদের ভোট না দিয়ে যারা জনগণের পাশে আছে ও থাকবে এমন ত্যাগী নেতাদেরকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগদানের আগে শহরের সার্কিট হাউজে এক সমাবেশে এ আহ্বান জানান তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রাণ হচ্ছে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজকে গণমানুষের দল হিসেবে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক নেতা দ্বিধান্বিত হয়েছেন, অনেক নেতা ভুল করেছেন, অনেক নেতা দল ত্যাগ করে চলে গেছেন। কিন্তু কর্মীরা কখনো দ্বিধান্বিত হননি। কর্মীরা সবসময় ঐক্যবদ্ধ ছিল। কর্মীরাই দলকে টিকিয়ে রেখেছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৭ সালে যখন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয় তখন দলের অনেক নেতা দ্বিধান্বিত ছিলেন। অনেক নেতা ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। অনেক নেতা আপস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিল বিধায় তাদের আন্দোলনে জননেত্রী মুক্তি লাভ করেছিলেন। এ কারণে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে’।

ভোট প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনে সবাই আওয়ামী লীগের নৌকায় উঠতে চাইবে কিন্তু ত্যাগী নেতা ছাড়া আওয়ামী লীগের নৌকায় কাউকে প্রয়োজন নাই। তিনি বলেন, যারা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে নেত্রীর পাশে, দলের পাশে ছিল তাদেরকেই মূল্যায়ন করা হবে। অন্যদলের অতিথি পাখিরা এখানে ভোট চাইতে আসবে, যখন ভোট চাইতে আসবে তখন বলতে হবে আপনারা অতিথি পাখির মতো এতদিন পরে কেন! যারা জনগণের মাঝে আছে এবং থাকবে তাদেরকেই ভোট দিতে হবে এবং নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবার নেত্রীকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে।’

পরে মন্ত্রী সদর উপজেলার রাধাকৃষ্ণপুরে গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

You might also like