ধরলার পানি বৃদ্ধি, দেখা দিয়েছে ভাঙন

ভারী বৃষ্টি  আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আবারো বন্যা ও নদী ভাঙনের সম্মুখীন হয়েছে কুড়িগ্রামবাসী। 

মূলত কুড়িগ্রাম জেলার মধ্যে ১৬টি নদ-নদী রয়েছে। নদী ভাঙন এ জেলার অন্যতম প্রধান সমস্যা। প্রতিবছর অব্যাহত ভাঙনে শতশত বাড়ি-ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়। নদীগর্ভে হারিয়ে যায় শত শত হেক্টর আবাদি জমি। নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই ছোট হয়ে আসছে এ জেলার মানচিত্র। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন নিম্নাঞ্চলসহ অনেক এলাকা।

কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সাইদুল রহমান জানান, ধরলার পানি বৃদ্ধির কারণে তার ইউনিয়নের জগমনের চর এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ৩৪টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ধরলা নদীর পানি বর্তমানে ২৬.৬৫ সেন্টিমিটার প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার স্বাভাবিক অবস্থা ২৬.৫০ সেন্টিমিটার।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন যাবত ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে সেখানকার উজানের পানি দ্রুত নেমে আসায় কুড়িগ্রামের নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবগুলো নদনদীর পানি বাড়লেও এখন ধরলা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ধরলার পানি আরও বাড়বে। কয়েকদিন গেলে কমতে শুরু করবে। তবে তিনি মারাত্মক বন্যার কোন আশঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেন।

নিউজ ডেস্ক/ বিজয় টিভি