ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর নতুন ভাড়ায় চলছে গণপরিবহন

ডিজেলচালিত গণপরিবহনের নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে সকাল থেকে। ডিজেলচালিত গাড়ির ভাড়া বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে গ্যাসচালিত গণপরিবহনের ভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা। এতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা।

সোমবার (৮ নভেম্বর) সকালে দেখা যায়, সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। প্রয়োজনের তাগিদে বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে তাদের কন্ঠে ছিলো অসহায়ত্বের সুর। অধিকাংশ বাসে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

এর আগে, রবিবার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিবহণ মালিক সমিতির বৈঠকে বাস ভাড়া বাড়িয়ে দূরপাল্লায় প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৮০ পয়সা, মহানগরে ২ টাকা ১৫ পয়সা এবং মিনিবাসে ২ টাকা ৫ পয়সা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দূরপাল্লায় প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২৬ শতাংশ বা ৩৮ পয়সা এবং মহানগরে ২৬ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৪৫ পয়সা ভাড়া বাড়বে। তবে সিএনজিচালিত বাসের জন্য বাড়তি ভাড়া প্রযোজ্য নয়। এছাড়া, সর্বনিম্ন বাস ভাড়া ১০ টাকা, মিনিবাসে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জ্বালানির তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে রবিবার বিআরটিএ বনানী কার্যালয়ে গণপরিবহনর ভাড়া পুনর্নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয় বিআরটিএ। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

গেল বুধবার রাতে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা করা হয়। এরপর, শুক্রবার সকাল থেকে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরিচালক-মালিকেরা গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন বাসচালক-মালিকরা।

You might also like