নারী দিবসে শ্রেষ্ঠ ৫ জয়িতা পাচ্ছেন সম্মাননা

৩৩

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ৫ জয়িতাকে সম্মাননা দেবে সরকার। আগামীকাল সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। এদিন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এ সম্মাননা তুলে দেবেন।

রোববার (৭ মার্চ) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা হলেন- বরিশালের হাছিনা বেগম নীলা, বগুড়ার মিফতাহুল জান্নাত, পটুয়াখালীর মোসাম্মৎ হেলেন্নছা বেগম, টাঙ্গাইলের রবিজান ও নড়াইলের অঞ্জনা বালা বিশ্বাস।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শিশু একাডেমি মিলনায়তনে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। এবার দিবসের প্রতিপাদ্য- করোনাকালে নারী নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ নারী রয়েছেন জানিয়ে মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বছর বরিশাল বিভাগ থেকে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী বরিশাল জেলার হাছিনা বেগম নীলা। তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হলেন রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার মিফতাহুল জান্নাত। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএসএস অধ্যয়নরত ও একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সফল নারী। আর সফল জননী হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হয়েছেন বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার মোসাম্মৎ হেলেন্নছা বেগম। মোসাম্মৎ হেলেন্নছা বেগম তার ছয় ছেলে ও তিন মেয়ের সবাইকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার বড় ছেলে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, মেজ ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিদেশে উচ্চ শিক্ষায়রত আছেন একজন।

তিনি বলেন, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলার রবিজান। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক-হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়া সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখায় জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হয়েছেন খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলার অঞ্জনা বালা বিশ্বাস। তিনি নারীদের দর্জি ও হাতের কাজের মাধ্যমে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার জন্য ১৯৭৫ সালে মাতৃকেন্দ্র নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

You might also like