নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটের পরিবেশ তৈরি করে, তারা ভোটার আনে না: সিইসি

১২২

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটের পরিবেশ তৈরি করে। তারা ভোটার আনে না। তাই আজ দুই সিটির নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি যে কম, এর দায় ইসির না। দায় প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোরই। ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখেছি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে ধারণা করছি।’

আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর উত্তরার আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের সামনে সিইসি এসব কথা বলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম উপস্থিত ছিলেন।

ভোটার উপস্থিতি কম থাকার দুটি কারণ উল্লেখ করে নূরুল হুদা আরও বলেন, ‘স্বল্প সময়ে বা এক বছরের জন্য মেয়র ও কাউন্সিলরদের নির্বাচন করা হবে। এ কারণে ভোটারদের আগ্রহ কম হতে পারে। আবার সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ও প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় ভোটার উপস্থিতি কম হতে পারে।’

নির্বাচনে সব দল যে এল না ইসি কি তার দায় নেবে—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি নুরুল হুদা বলেন, এটা রাজনৈতিক দলের দায়। এখানে নির্বাচন কমিশনের কোনো দায় নেই।

উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে ভোটগ্রহণের পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ডে (সম্প্রসারিত) কাউন্সিলর পদে ভোট চলছে। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

আনিসুল হকের মৃত্যুর পর উত্তর সিটির মেয়র পদ শূন্য হয়ে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে পাঁচ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম (নৌকা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ শাফিন আহমেদ (লাঙ্গল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান (আম), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) শাহীন খান (বাঘ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুর রহিম (টেবিল ঘড়ি)।

ঢাকা উত্তর সিটিতে যুক্ত হওয়া ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১১৬ জন এবং সংরক্ষিত ছয়টি ওয়ার্ডে ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১২৫ জন ও সংরক্ষিত ছয়টি ওয়ার্ডে ২৪ জন প্রার্থী রয়েছেন।

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like