নৌপথে সংযোগ হল হাতিয়া

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সাথে নৌ-যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে রাজধানীর। চলাচল শুরু হয়েছে যাত্রী ও মালবাহী নৌ-যান। উপকূলবাসীর প্রত্যাশা, একটি লঞ্চ আমূল পরিবর্তন ঘটাবে চরাঞ্চলের জীবনযাত্রায়। গতিশীল হবে অর্থনীতি আর সমৃদ্ধ হবে পর্যটন।

১০৫

একটি লঞ্চ সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখাচ্ছে উপকূলীয় উপজেলা হাতিয়াকে। সম্প্রতি চরচেঙ্গা ঘাট থেকে রাজধানী ঢাকা নৌ-রুটে উদ্বোধন হয়েছে নৌ-যান এমভি তাসরিফ। এর ফলে হাতিয়ার দক্ষিনাঞ্চলের নিঝুমদ্বীপ, সোনাদিয়া, জাহাজমারা ও বুড়িরচর ইউনিয়নের তিন লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাপনে ঘটবে মানোন্নয়ন। প্রসার লাভ করবে ব্যবসা-বানিজ্য। পর্যটন এলাকা নিঝুমদ্বীপে বাড়বে পর্যটক।

উপকূলের অধিকাংশ মানুষ মাছ ধরা ও ব্যবসার সাথে জড়িত। যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে এতোদিন ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত ছিলো তারা। লঞ্চটি চালু হওয়ায় খুশি জেলে পরিবারগুলো।

বাদাম, গম, মুগডাল বেশি উৎপাদন হয় এ চরাঞ্চলে। কৃষক এখন সহজে তাদের কৃষি পন্য ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্রি করতে পারবে। আনাগোনা বাড়বে পাইকারদের। প্রকৃত দাম পাবে কৃষক।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মধ্য দিয়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করছেন এখানকার মানুষ। বেকার যুবক সহজে চরের বাইরে যেয়ে পরিবর্তন ঘটাবে ভাগ্যের। এ চরাঞ্চল ঢাকাসহ সারাদেশের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী বঞ্চিত ছিলো উচ্চ শিক্ষা থেকে। লঞ্চ সার্ভিস চালু হওয়ায় দ্বার উন্মোচিত হয়েছে উচ্চ শিক্ষার।

নতুন লঞ্চ সার্ভিসে বেশি উপকৃত হবে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও প্রসূতি নারী। চিকিৎসার জন্য সহজে তারা চরের বাইরে যেতে পারবে।

লঞ্চ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে হাতিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরন হয়েছে মনে করেন স্থানীয় জনপতিনিধি। প্রতিদিন লঞ্চটি হাতিয়া থেকে ছেড়ে যাবে দুপুর ১২টায়। অন্যদিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসবে বিকেল ৫টায়।

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like