পাচারকালে সাতক্ষীরা সীমান্তে শিশুসহ ২২ নারী ও পুরুষ উদ্ধার

৬২

ভারতে পাচারকালে সাতক্ষীরার কুলিয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ২২ নারী পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে এক পাচারকারীকে। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) ভোররাতে সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কুলিয়াডাঙ্গা গ্রামের পাচারকারী মোকলেসুর রহমানের বাড়ির থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১০ নারী, ১০ পুরুষ ও দুটি শিশু রয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে নাসিমা খাতুন নামের এক পাচারকারীকে। এদের মধ্যে ১৫ জনের বাড়ি নডাইল জেলায়। বাকিদের বাড়ি রংপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

উদ্ধারকৃতরা হলেন, নড়াইল জেলার কালিয়ার রত্না শেখ, কাজল খাতুন, লাভলী খাতুন, আবুল শিকদার, সোবহান মোল্লা, শ্রীনগর মুন্সিগঞ্জের রুনা খাতুন, রংপুর কাউনিয়ার ইসমত আরা, ব্রাক্ষণবাড়িয়ার শিমু আক্তার, বিউটি আক্তার, নড়াইলের হীরা বেগম, শিউলি খাতুন, নড়াইলের রুবিনা খাতুন, ইমন গাজী, মাকবুল মোল্লা, কামরুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম, শিমু মোল্লা, কায়েস শেখ, জাহিদ শেখ, খুলনা দিঘলীয়ার তানভির ইসলাম। তাদের সঙ্গে আরও দুটি শিশু রয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, কিছু নারী পুরুষকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে কুলিয়াডাঙ্গা গ্রামের পাচারকারী মোকলেসুর রহমানের বাড়িতে রাখা হয়েছে এমন সংবাদে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ২২জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারকারী মোকলেসুর রহমানকে পাওয়া না গেলেও আটক করা হয়েছে তার স্ত্রী নাসিমা খাতুনকে।

তিনি বলেন, দালাল মোকলেসুর ও তার স্ত্রী নাসিমা খাতুন ভারতে ভালো কাজ দেওয়ার কথা বলে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫- ২০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) যে কোনো সময় তাদেরকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পাঠানো কথা ছিল। থানায় পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তাছাড়া উদ্ধার হওয়ার নারী-পুরুষদের আদালতে পাঠানো হচ্ছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।