প্রকল্পে অযৌক্তিক ব্যয় পরিহার করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

১৬৭

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রকল্পে কোনো ধরনের অযৌক্তিক ব্যয় করা যাবে না। কেনা-কাটা-সহ অন্যান্য প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিক কিছু করা যাবে না। প্রকল্প প্রস্তাবে বাজারমূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ দাম নির্ধারণ করতে হবে। প্রকল্প নিয়ে কোনো নেতিবাচক প্রচারণায় সরকার থাকতে চায় না।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রকল্প পরিচালকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, অনিয়ম, অস্বচ্ছতা বা দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না। প্রকল্পের কাজ গতানুগতিকভাবে দপ্তরে বসে করা যাবে না, মাঠে যেতে হবে। আর শুধু মাঠ পরিদর্শন করলেই হবে না বরং মাঠে থাকতে হবে। একইসাথে মাঠ পরিদর্শনে প্রাপ্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রকল্প পরিচালকদের কাছ থেকে জনগণ পরিচ্ছন্ন সেবা প্রত্যাশা করে। আন্তরিকতা ও একাগ্রতা প্রত্যাশা করে। প্রকল্পের ধীর গতি কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, নিয়ম অনুসরণ করা এবং আইন প্রতিপালন করার জন্য কাজের সমন্বয় থাকতে হবে। প্রকল্পের কাজের সাফল্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে তা যেন ম্রিয়মান না হয়, এ ব্যাপারে কাজের প্রতি আরো আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান এবং সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সভায় ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি, মৎস্য অধিদপ্তরের ৮টি এবং বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের ২টিসহ মোট ১১টি প্রকল্পের ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ-সহ সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

You might also like