প্লে ব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরের চির বিধায়

দেশ বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। ৬ জুলাই সন্ধ্যায় রাজশাহীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী।

জীবনের গল্পটা অল্পতেই শেষ করে দিলেন এন্ড্রু কিশোর। ৬৪ বছর বয়সেই শেষ হলো জনপ্রিয় এই গানটির কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের জীবন। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ৬ জুলাই সন্ধ্যায় হেড়ে গেলেন তিনি। রাজশাহীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

জীবনের গল্প ছোট হলেও এর মধ্যে এন্ড্রু কিশোর যা দিয়ে গেছেন দেশের সংগীতাঙ্গনকে, তা কোনোভাবেই ছোট নয়। দেশীয় সিনেমার গানে তার কণ্ঠ যেন অবিনশ্বর।

এন্ড্রু কিশোরের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। আলম খানের সুর করা অচিনপুরের রাজকুমারী- গানটি ছিল তার সিনেমায় গাওয়া প্রথম গান। ১৯৭৯ সালে ‘এক চোর যায় চলে’ গানের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করেন এন্ড্রু কিশোর।

ত্রিশ বছরের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে গেয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হায়রে মানুষ রঙের ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে, ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা, সবাই তো ভালোবাসা চায়।

টানা ৯ মাস সিঙ্গাপুরে ক্যানসারে চিকিৎসাধীন থেকে গত ১১ জুন একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন এই নন্দিত গায়ক। সেখানে গিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে।

বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন।