ফাইভ-জি ব্যবহারে অগ্রাধিকার পাবে শিল্প প্রতিষ্ঠান: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

৫৩

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান, সাধারণ মানুষ নয়, মোবাইল নেটওয়ার্ক হিসেবে ফাইভ-জি সুবিধা প্রথম পর্যায়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। সাধারণ মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসতে বহু সময় লাগবে।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলালিংক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, করোনাকালে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মাধ্যমে প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষ টেলিমেডিসিন নিয়েছে। তাদের এই নেটওয়ার্কিং সেবা ছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা কঠিন হয়ে পড়ত। এক্ষেত্রে বাংলালিংকও বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

মন্ত্রী জানান, ফাইভ-জি সুবিধা প্রথম পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার হবে। কারণ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের রোবট পরিচালনা, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, চাষাবাদ পর্যবেক্ষণসহ সব পর্যায়েই ব্যবহার হবে।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০২১ সালে এসে যে পরিমাণ বেড়েছে, তা ২০১৮ সালেও ছিল না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ব্যবসায় কাস্টমারের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে পরিসর বাড়াতে হয়। এ খাতও এমন নীতির বাইরে নয়। এছাড়া দেশে ফোর-জি সুবিধা সম্পূর্ণভাবে পেতে হলে মোবাইলে যে ডিভাইসগুলো থাকতে হয়, সেই ডিভাইসগুলো প্রায় ৬২ শতাংশ মোবাইলে নেই। এতে গ্রাহক পর্যায়েও সেবা পাওয়ার সক্ষমতায় ঘাটতি রয়েছে।

ওয়েবিনারে গণমাধ্যম কর্মীরা ফোর-জির নেট গতি নিয়ে প্রশ্ন করেন, এমন অবস্থায় যৌক্তিকতাও তুলে ধরেন ফাইভ-জির। প্রশ্নের জবাবে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সহমত জানিয়ে বলেন, ইন্টারনেট গতির বিষয়ে এখনো অসন্তোষ রয়েছে গ্রাহক পর্যায়ে। যে পরিমাণ গতি চাচ্ছি তাতে সেভাবে ডিজিটাল ডিভাইস আছে কিনা তা দেখতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন ইকুইপমেন্টের ঘাটতি থাকার কারণেও এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় বলে জানান তিনি।

অতি দ্রুত ফোর-জি সেবা সারাদেশে নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিতে শতশত বছরের পেছনে ছিল বাংলাদেশ। বিশ্বের সাথে এগিয়ে যেতে ফাইভ-জিতে যাচ্ছে দেশ। কারণ, দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক জোন তৈরি করা হচ্ছে, প্রতিটি জোন ও বড় বড় শিল্প পার্কের দ্রুত গতির ইন্টারনেট প্রয়োজন হবে।

ওয়েবিনারে অংশ নেন বাংলালিংকের সিইও এলিক অস, কিকে রাসেল সহ গণমাধ্যমকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলালিংক ব্যবহার করে ‘করমো-জব’ নামে চাকরি অনুসন্ধানী একটি মাধ্যমের বিষয় তুলে ধরে বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ জানায়, এর মাধ্যমে খুব সহজেই চাকরি, চাকরি ধরণ, কোন এলাকা, সবই নিশ্চিত হতে পারবেন আগ্রহীরা।

You might also like