বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের এদেশে প্রতিষ্ঠিত করেছে

৩৮

জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী বলেছেন, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান এদেশে যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। জিয়া ক্ষমতা দখল করে আসার পর রাজাকার আলবদরদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিলেন, কারাগারে আটক সকল যুদ্ধাঅপরাধীদের মুক্ত করে দিয়েছিলেন, নরঘাতক যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সংবিধান সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার বিধান বাতিল করেছিলেন। জামায়াত ইসলামীসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি করার সুযোগ করেছিলেন।

বুধবার দুপুরে জেলার শিবচরের কাদিরপুর ইউনিয়নের মুন্সী কাদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় চীফ হুইপ ও আওয়ামী লীগ সংসদীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

এদিন চীফ হুইপ একই ইউনিয়নের মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ তলা ভবন ও দত্তপাড়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া টিএন একাডেমির বহুতল ভবন উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান মোল্লা, সাধারন সম্পাদক ডাঃ মোঃ সেলিম প্রমুখ।

চীফ হুইপ আরো বলেন, রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন এ দেশে স্বাধীনতার ৬ বছরের মাঝে একজন স্বাধীনতা বিরোধীকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছিল। শাহ্ আজিজকেও প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছিল। এরশাদ এসেও স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনঃবাসন করে।পবিত্র সংসদেও বিএনপি একজন রাজাকারকে স্পীকার করে।

নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে করোনা প্রতিরোধে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এক দৃষ্টান্ত। অনেক উন্নত দেশগুলোতেও করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়নি। সেখানে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী ১১ শ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ কোটি মানুষের জন্য বিনামুল্যে করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

You might also like