বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত

৫৮

বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর ১০টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকেট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সীলমোহর প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি ) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় তার দপ্তর থেকে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করেন। এ সময় ডাটাকার্ড ও বিশেষ সীলমোহর প্রকাশ করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তি দিবস’ ৮ জানুয়ারি। পাকিস্তানের মিলানওয়ালী কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি লাভ করেন।

এক বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্দ একটি অধ্যায়। ২৪ বছরের সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের মহাকাব্যের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বেশীর ভাগ সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে।তিনি বলেন, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও বাঙালির স্বাধীকার প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন নেতৃত্ব বিশ্বের ইতিহাসে বিরল।আমাদের একজন বঙ্গবন্ধু ছিলেন বলেই,বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।

বিবৃতিতে মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তির বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের বন্দি শিবির থেকে টানা ৯ মাস কারাভোগের পর মুক্তিলাভ করেন। এরপর থেকেই দিনটি ‘বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তি দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকহানাদার বাহিনীর গণহত্যা চলাকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরে তাকে পাকিস্তানের মিলানওয়ালী কারাগারে নির্জন কক্ষে বন্দি অবস্থায় রাখা হয়।

ডাকমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হলেও তখনও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানীদের হাতে বন্দি।সাড়ে সাতকোটি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া স্বাধীনতার আনন্দের পূর্ণতা ছিল না।পরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ব্যাপক কূটনৈতিক চাপ এবং বিশ্ব শীর্ষ নেতাদের তীব্র সমালোচনার মুখে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

You might also like