বদলে গেছে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুম

৪০

বদলে গেছে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুম। দালাল না থাকায় আবেদন করার তিন থেকে সাতদিনের মধ্যেই খতিয়ান, ম্যাপ বা জমিজমার গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পাচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা। মাসে, এখান থেকে ১০ হাজারেরও বেশি পর্চা বিতরণ করছে কর্তৃপক্ষ। জেলা প্রশাসন বলছে, অফিস শতভাগ দালালমুক্তসহ কোন কর্মকর্তা যাতে অসাধু কর্মকান্ডে জড়িয়ে না পরে সে ব্যাপারে চলছে কঠোর মনিটরিং।

মাদারীপুরে জমিজমার মূল্যবান কাগজপত্রের জাবেদা নকলের জন্য মাসের পর অপেক্ষা, আর দালালদের দৌরাত্মে অতিষ্ঠ ছিল সাধারণ মানুষ। কিন্তু এখন তা বদলে গেছে। অনেকটাই দালাল আর দুর্নীতিমুক্ত এখন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুম। দিনের পর দিন টাকা দিয়েও যেখানে পর্চা, খতিয়ান ও ম্যাপ পাওয়া মুশকিল হয়ে উঠেছিল, সেখানে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। আবেদন করার তিন থেকে সাতদিনের মধ্যেই জমির পর্চা পাচ্ছেন সেবা গ্রহণকারীরা। হয়রানি কমায় খুশি তারা।

রেকর্ড রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানালেন, তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা দ্রুত পৌঁছে দিতে আবেদন করার দিনেই যেন জমির পর্চাসহ অন্য কাগজপত্র পাওয়া যায় সে লক্ষ্যে ডিজিটাল কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার।

এদিকে জেলা প্রশাসন বলছে, শুধু দালাল নয়, অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা অসাধু কোন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পারে সে ব্যাপারে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুমে গড়ে প্রতিদিন ৪শ’ থেকে ৫শ’ মানুষ খতিয়ান, ম্যাপ বা জমিজমার গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের জন্য আবেদন করেন। তাদের সেবা দিতে এখানে কাজ করছে মাত্র ৫ জন কম্পিউটার অপারেটর।

You might also like