বন্ধুত্ব ও উন্নয়নের জন্য পর্যটন প্রসারে ঐকমত্য : মেঘালয়ের গভর্ণরের সাথে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও মেঘালয়ের গভর্ণর তথাগত রায় দু’দেশের মানুষের বন্ধুত্ব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পর্যটনশিল্পের বিকাশে জোর দিয়েছেন।

কলকাতা-আগরতলা-শিলং সফরের শেষদিন বুধবার সকালে ড. হাছান মাহমুদ মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে রাজ্যগভর্ণরের আমন্ত্রণে তার সাথে প্রাতরাশ বৈঠকে মিলিত হন। মন্ত্রীর সহধর্মিণী নূরান ফাতেমা ও গভর্ণরের সহধর্মিণী অনুরাধা রায় এসময় উপস্থিত ছিলেন।
গভর্ণর বলেন, ‘পাহাড় ঘেরা মেঘালয় বাংলাদেশিদের জন্য আকর্ষণীয় পর্যটন অঞ্চল। আবার যোগাযোগ সুবিধা ভালো হলে এখানকার মানুষও সিলেট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে বেড়াতে যেতে আগ্রহী।’ তথ্যমন্ত্রী তার সাথে একমত পোষণ করেন ও পর্যটন বিকাশের জন্য বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিকতার কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী এসময় আগামী বছরের মার্চে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তাকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান।

ঘন্টাব্যাপী আন্তরিক এ বৈঠকে ড. হাছান মুক্তিযুদ্ধের সময় আন্তরিক সহযোগিতার জন্য গভর্ণরকে মেঘালয়ের প্রতি বাংলাদেশের অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানান।

তথাগত রায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে তার নিজের লেখা ‘যে দেশ আমাদের ছিল’ গ্রন্থটি উপহার দেন। তথ্যমন্ত্রীও তাকে নৌকা স্মারক, ঐতিহ্যবাহী নকশীকাঁথা ও জামদানি উপহার দেন।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিলংয়ের এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স সেন্টারে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন, গৌহাটি আয়োজিত আলোচনা সভায় মানবিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে বক্তৃতা করেন তথ্যমন্ত্রী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মেঘালয় রাজ্যসভার স্পিকার মেতবাহ লিংডহ (Metbah Lyngdoh)। এসময় আমাদের বঙ্গবন্ধু প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

তথ্যমন্ত্রীর সাথে গৌহাটিতে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনার এস এম তানভীর মনসুরসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সফরশেষে আজ রাতে তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা।