বাবুল আক্তারের নির্দেশেই স্ত্রী মিতুকে হত্যা

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের নির্দেশেই তার স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্বে ছিলেন কামরুল শিকদার ওরফে মুছা। মিতুকে হত্যা না করলে না করলে কামরুল শিকদার ওরফে মুছাকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার ভয় দেখান বাবুল আক্তার। মিতুকে হত্যা করার জন্য মুছাকে টাকাও দিয়েছিলেন বাবুল আক্তার।

শনিবার সন্ধ্যায় আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান মিতু হত্যা মামলার আসামি এহতেশামুল হক ভোলা। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফি উদ্দিনের আদালতে তিনি বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জবানবন্দি দেন।

চট্টগ্রামের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘গ্রেফতারের পর ভোলাকে আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ভোলাকে বেনাপোল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ‘মিতু হত্যার ঘটনায় তার বাবার দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি ভোলা। জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের আদালতে তাকে হাজির করা হয়।