বিশ্ববাজারে টানা ৪ সপ্তাহ কমলেও দেশে কমেনি স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে গত সপ্তাহেও স্বর্ণের দাম কমেছে। এ নিয়ে টানা ৪ সপ্তাহ এর মূল্য কমলো। সেই সুবাদে এক মাসে স্বর্ণের দাম পড়েছে প্রায় ৭৯ ডলার বা ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। তবে বিশ্ববাজারের সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারে দামের সমন্বয় করা হয়নি।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বাড়ে ৮ দশমিক ১২ ডলার। তবু সপ্তাহের ব্যবধানে মূল্য কমে দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দর দাঁড়ায় ১৭৮২ দশমিক ৫৮ ডলার। গত মাসে এর দাম ছিল ১৮৬১ দশমিক ৫০ ডলার। অর্থাৎ এক মাসে কমেছে ৭৮ দশমিক ৯২ ডলার।

একই সময়ে রূপার দামেও পতন হয়েছে।গত সপ্তাহে এর দাম ১ দশমিক ৬১ শতাংশ কমেছে। প্রতি আউন্সের দর দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ১৪ ডলারে। এতে মাসের ব্যবধানে রূপার দাম কমেছে ১২ দশমিক ২১ ডলার।

তবে বেড়েছে দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম। গত সপ্তাহে প্রতি আউন্সের মূল্য ১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দর দাঁড়িয়েছে ৯৪২ দশমিক ১৫ ডলার। তবু মাসের ব্যবধানে প্লাটিনামের দাম কমেছে ১৩ দশমিক ২৩ শতাংশ।

এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে উত্থান ঘটে। ফলে দেশের বাজারেও মূল্য বাড়ানো হয়। সবশেষ গত ১৩ নভেম্বর ভরিতে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের ভরিপ্রতি ৭১ হাজার ১৫০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয় ৬২ হাজার ৪০২ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির দাম হয় ৫২ হাজার ৮০ টাকা।

ওই সময় বাজুস ব্যাখ্যা দেয়, করোনার এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। নেপথ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক সংকট। অধিকন্তু চাহিদার বিপরীতে জোগান কম। তাই দেশীয় বুলিয়ন বা পোদ্দার মার্কেটে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রূপার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে বাজুস।

You might also like