মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধিতাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার : মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১০ অক্টোবর:
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, সরকার মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধীতাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আত্মহত্যা রোধ করা সম্ভব।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আজ ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ‘মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ এবং বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধিতাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা হিসাবে গণ্য কারার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির অধিকার ও সুযোগের সমতা বিধানে বদ্ধপরিকর। এজন্য ২০১৩ সালে প্রতিবন্ধী অধিকার ও সুরক্ষা আইন সংশোধন এবং ২০১৮ সালে মানসিক স্বাস্থ্য আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার। মূল আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন মোছাম্মৎ নাজমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন ড. আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক সহিদ আকতার হুসাইন ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দিন।

তথ্যবিবরণী