মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধ শক্তি এখনও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধ শক্তি ও ১৫ আগস্টের খুনিদের দোসররা এখনও ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন ঠিক আছে। কিন্তু তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালিয়েছেন এমন নজির নেই। ফলে তিনি যুদ্ধ করেননি। মঙ্গলবার মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ৭৫-এর খুনি ও অপশক্তির উৎস ছিলেন জিয়াউর রহমান। ৭৫ এর খুনিদের সাথে সবসময় ছিলেন জিয়াউর রহমান। অবৈধভাবে ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেন। বেঈমানির কারণেই মেজর থেকে পদন্নোতি পেয়েছিলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, জিয়া্র রহমানের শাসনামলে দেশে শিক্ষার কোনো পরিবেশ ছিলো না। ছিলো অস্ত্রের ঝনঝনানি।

শেখ হাসিনা বলেন, মেধাবী ছাত্রদের অস্ত্র, মাদক ও অর্থ তুলে দিয়ে বিপথে নিয়ে গেছে জিয়াউর রহমান। তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে হুমকি দিয়েছিল, আওয়ামী লীগকে মোকবিলা করতে তার ছাত্রদলই যথেষ্ট। তিনিও ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পায়ে পায়ে শত্রু আছে। আমাদের চলার পথ মসৃণ না, কন্টকাকীর্ণ। সে কথা মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে। পরিস্থিতি প্রতিকূল হলেও সৎ পথে থাকলে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগুলে, সফলতা আসবেই। তবে সত্যের পথ সব সময় কঠিন থাকে। এই কঠিনকে সঙ্গে করে যারা এগিয়ে যেতে পারে, তারাই সাফল্য আনতে পারে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ৭৫ এর পর বঙ্গবন্ধু নামটা মুছে ফেলা হয়েছে। বিকৃত ইতিহাস প্রচার করা হতো। জয় বাংলা স্লোগানও নিষিদ্ধ ছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ নিষিদ্ধ করা হয়। ভাবখানা এমন দেশ স্বাধীন হয়নি। আজকে আর বঙ্গবন্ধুর নাম মুছা যাবে না। স্বাধীনতার ইতিহাস মুছা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী, আমার দেখা নয়া চীন ও গোয়েন্দা ডায়েরী ৭ খণ্ডে প্রকাশ করেছি। সেখান থেকেই বাংলাদেশের ইতিহাস এবং সত্য বেরিয়ে আসে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বদৌলতেই জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হয়েছিল। পাকিস্তান থাকলে সে কিন্তু মেজরই থেকে যেতো।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কাজে ছাত্রলীগকে মনোনিবেশ করারও নির্দেশ দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান।

You might also like