রোহিঙ্গাদের হাতে এনআইডি, ইসির আরও এক কর্মী গ্রেফতার

৫৬

রোহিঙ্গাদের ভোটার করা ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাইয়ে দেওয়ার মামলায় চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহায়ক নাজিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে এনআইডি কেলেঙ্কারির ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ৪ কর্মচারীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গতকাল দুপুর ২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লাভ লেইনে জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে নাজিমকে গ্রেফতার করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘এনআইডি সংক্রান্ত মামলায় এর আগে গ্রেফতার হওয়াদের জিজ্ঞাসাবাদের পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাজিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’ সরকারি কর্মচারী হওয়ায় নাজিমকে গ্রেফতারের আগে ‘সরকারি চাকরি আইন-২০১৮’ এর ৪১ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদিনসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন জেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা। বাকি দুজন হল- জয়নালের বন্ধু বিজয় দাশ ও তার বোন সীমা দাশ ওরফে সুমাইয়া। জয়নালের হেফাজতে থাকা নির্বাচন কমিশনের লাইসেন্সকৃত একটি ল্যাপটপও উদ্ধার করা হয়, যেটি বিজয় ও সীমার কাছে রেখেছিলেন জয়নাল। রাতেই ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ের কর্মী শাহনূর মিয়া, অস্থায়ী কর্মী মোস্তফা ফারুক, মো.শাহীন , মো.জাহিদ হাসান এবং পাভেল বড়ুয়া এবং চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও মীরসরাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like