লালমনিরহাট-কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

ঠান্ডা বাতাসের দাপটে থমকে গেছে উত্তরের সীমান্তে হিমালয়ের নিকটবর্তী লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম।

নিদারুণ কষ্টে রয়েছেন ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, গঙ্গাধর, তিস্তা ও ধরলা নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের নিম্নআয়ের মানুষ। কাজের খোঁজে ঘরের বাইরে যেতে পারছেন না তারা।

শীতার্ত দুঃস্থরা জানান, কুয়াশায় চারদিক ঢেকে আছে। দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঠান্ডা বাতাস থাকায় কষ্ট বেড়েছে। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে দুঃস্থদের ভরসা হয়েছে খড়কুটোর আগুন।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার চর সারডোব গ্রামের কৃষক কাদের আলী বলেন, ‘জমিতে কাজ করতে পারছি না। ঠান্ডার কারণে বাড়িতে আছি। অনেকে জমিতে কাজ করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারছেন না। ঠান্ডায় শরীর অসার হয়ে আসায় তাদেরকে কাজ ফেলে রেখে ঘরে ফিরতে হচ্ছে।’

লালমনিরহাট সদর উপজেলার উত্তর সাপ্টানা গ্রামের দিনমজুর মোবারক আলী বলেন, ‘ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ফুটপাতে পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকানে শীতার্ত মানুষের ভিড় বেড়েছে। অল্পদামে শীতের কাপড় কিনে ঠান্ডা কাটানোর চেষ্টা চলছে ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষের।’

কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া দপ্তরের তাপমাত্রা রেকর্ডকিপার সুবল চন্দ্র রায় বলেন, ‘সোমবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল থেকে চারদিক ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে। সেই সঙ্গে আছে ঠান্ডা বাতাস।’

You might also like