শনিবার রিয়াদ-শান্ত বাহিনীর লড়াই

মাঠের ক্রিকেট জমেনি তেমন। কী করে জমবে? একদিনের সীমিত ওভারের খেলা, অথচ স্কোরবোর্ড জীর্নশীর্ণ। প্রেসিডেন্টস কাপ রান খরায়। আর বোর্ডে যেহেতু রান নেই, তাই আকর্ষণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশ্নই আসে না। তবে একটা বিষয় আছে। তা হলো- লড়াই হচ্ছে সমানে সমানে।

তিন দলের দুই পর্বের লড়াইয়ের প্রথম অর্ধেক শেষ। সেখানে জয় পরাজয় সমান-সমান। তিন দলই একটি করে ম্যাচ জিতেছে, হেরেছেও সমান একটি করে।

শুরু হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের তুলনামূলক পরিণত ও অভিজ্ঞ দলের হার দিয়ে। রিয়াদ বাহিনীর বিপক্ষে তারুণ্যনির্ভর নাজমুল হোসেন শান্ত বাহিনীর ৪ উইকেটের জয়ে শুরু হয়েছিল আসর। দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম একাদশকে হারিয়ে প্রথম জয়ের মুখ দেখে রিয়াদের দল। তখন মনে হয়, তামিম বাহিনীর চলার পথ বুঝি কঠিন হবে।

কিন্তু বৃহস্পতিবার নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে হারিয়ে আবার কক্ষপথে ফিরেছে তামিমের দল। তাই এখন তিন দলেরই পয়েন্ট সমান। এখন এ তিন দলের কোন দুই দল ফাইনাল খেলবে?- তা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হবে।

শনিবার ফিরতি পর্বের প্রথম ম্যাচে ফের মুখোমুখি হবে মাহমুদউল্লাহ একাদশ ও নাজমুল একাদশ। আগেই জানা, প্রথম পর্বে জিতেছে শান্তর দল। আগামীকাল কে জিতে, সেটাই দেখার। এই ম্যাচের বিজয়ী দল ফাইনালের পথে এগিয়ে যাবে অনেকটাই।

এদিকে আদর্শ ব্যাটিং উপযোগী পরিবেশ না পাওয়ায় ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। তবে বোলাররা বিশেষ করে পেসাররা শুরু থেকেই ভাল বোলিং করেছেন। এটাও রান কম হওয়ার অন্যতম কারণ। তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন, তরুণ সুমন খান, শরীফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলামরা বেশ সমীহ জাগানো বোলিং করেছেন।

এদের সঙ্গে অফস্পিনার নাইম হাসান ও লেগস্পিনার রিশাদ হাসানের বলেও ধার দেখা গেছে।

শেষ ম্যাচে তরুণ শেখ মেহেদি আর মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহীমের ব্যাট কথা বলেছে। তামিম একাদশের তরুণ অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি ৮২ রান করেছেন। আর শান্ত একাদশের মুশফিকুর রহীম হয়েছেন আসরের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান। কিন্তু মুশফিকের শতক কাজে আসেনি, ম্যাচ জিতেছে তামিমের দল।

নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি