শিল্প মন্ত্রণালয়ে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান

৬০

শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সকলের ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কোভিড-১৯ এর কারণে গত এক বছরে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি, এখন আর পিছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই, সকলকে আরও কাজের গতি বৃদ্ধি করে এগিয়ে যেতে হবে। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল দপ্তর/সংস্থার সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে তার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিল্পমন্ত্রী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়ন ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এতে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বিশেষ অতিথি ছিলেন। শিল্প সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব (এপিএ টিম প্রধান) মো: গোলাম ইয়াহিয়া। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আজ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে, শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির লক্ষ্য অর্জনে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর আন্তরিকতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। শিল্পমন্ত্রী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়ন ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানান।

এপিএ বাস্তবায়ন পুরস্কার প্রাপ্ত দপ্তর/সংস্থা থেকে ১ম পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই); ২য় পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বিআইএম) এবং ৩য় পুরস্কার পেয়েছে ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও)। শিল্প মন্ত্রণালয়ের এপিএ বাস্তবায়ন ও শুদ্ধাচারে পুরস্কার পেলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার প্রধান বিএসটিআিই এর সাবেক মহাপরিচালক মো: মুয়াজ্জেম হোসাইন; গ্রেড-১ থেকে গ্রেড-১০ ভুক্ত কর্মকর্তা বেগম ফারজানা মমতাজ, যুগ্মসচিব এবং গ্রেড-১১ থেকে গ্রেড-২০ ভুক্ত কর্মচারী মোছা: শাম্মি আক্তার তিথী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় ও দপ্তর/সংস্থার কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখতে হবে। লোকসানী প্রতিষ্ঠানসমূহের দিকে বিশেষ নজর দিয়ে তা লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বাড়াতে শ্রমিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে শিল্প মন্ত্রণালয় ও এর দপ্তর/সংস্থাকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, যারা সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে শিল্পসচিব বলেন, ২০৪১ সালে উন্নত আয়ের বাংলাদেশ গড়তে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নের পাশাপাশি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

You might also like