সরকারি অনুদান নিয়ে শর্ট ফিল্ম ফোরামের প্রশ্ন

এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চলচ্চিত্র শিল্প ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে বিধায় এ শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে নীতিমালা অনুযায়ী বিশেষ বিবেচনায় অধিক সংখ্যক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে অনুদানের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।

২৫ জুন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে অনুদান দেওয়া হচ্ছে ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৯টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য। এর মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য পাচ্ছে মোট ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য ১ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

তবে এবারও চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চলচ্চিত্রের এই অনুদান নিয়ে ৫টি সংগঠন তাদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। এরমধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম, বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটি, বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদ, বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট, ফিল্ম উইদাউট ফিল্ম।

২৮ জুন বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ এবং শৈল্পিক চলচ্চিত্র নির্মাণের যে অঙ্গীকার অনুদান নীতিমালায় রয়েছে তার প্রতিফলন ঘটেনি এবারও।

রাকিবুল হাসান জানান, অনুদানের জন্য যে চলচ্চিত্র এবং পরিচালকদের নাম এবার প্রকাশ করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের সাথে সম্পর্কিত। শুধু তাই নয়, অনেকেরই চলচ্চিত্র পরিচালনার ন্যূনতম অভিজ্ঞতা আছে বলে তাদের জানা নেই।

জনগণের অর্থ ব্যয় করে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের মতো স্থূল ও বিকৃত বিনোদনের প্রসার কোনও অবস্থাতেই সঠিক নয় বলে দাবি করে ফোরামটি। এবারের অনুদানের তালিকায় পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের অনুপস্থিতি বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিরই নামান্তর উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।