সীমান্তরক্ষী বাহিনীগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩৪

কোস্টগার্ডের পাশাপাশি সীমান্তরক্ষী অন্যান্য বাহিনীকেও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আজ রোববার (১৪ই ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা যাতে দ্রুত দুর্গম পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকায় পৌঁছাতে পারে সেজন্য রাস্তা নির্মাণ, হেলিকপ্টার দেয়া ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মাদক ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় এটি নিয়ন্ত্রণ কঠিন। আমাদের সীমান্তগুলোতে আরও বেশি নজরদারির জন্য সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উন্নত প্রযুক্তির জলযান দিয়ে এ বাহিনী অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণ সাধনে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে।

তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত কোস্টগার্ডের বিভিন্ন বেইজ, স্টেশান ও আউটপোস্টে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে এ বাহিনীর পরিপূর্ণ বিকাশ সুনিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, কোস্টগার্ড দুই যুগেরও অধিক সময় ধরে সমুদ্র বানিজ্য ও উপকূলীয় জনগনের নিরাপত্তা বিধানে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এ বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার বদ্ধপরিকর।

কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল এম আশরাফুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের যুগপোযোগি দিক নির্দেশনার ফলে এ বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যগণ দেশ প্রেমের চেতনা সমুন্নত রেখে তাদের অটুট মনবল, নিরলস কর্মস্পৃহা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০৩০ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূর প্রসারী ভাবনার ফলেই আমাদের নিজস্ব সমুদ্র এলাকা দাবী সম্বলিত দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটার এন্ড মেরিটাইম জোন্স এ্যাক্ট এবং পরবর্তীতে তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রতিষ্ঠার সোপান রচনা করেন।

You might also like