১১০টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সোমবার অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ১১০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ লক্ষ ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের ৪৫ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে রাজধানীসহ সারাদেশে এই বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
রাজধানীর গুলশান, শাহবাগ ও লালবাগ এলাকায় বাজার তদারকিকালে খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্য মিশ্রণের অপরাধে ‘নানদুস’কে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য তৈরির অপরাধে ‘রেড কেবেস রেস্টুরেন্ট’, ‘জুসি জুসবার’ ও ‘আইডিয়াল প্রেস’কে মোট ২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া দেশব্যাপী ৪২টি বাজার তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য তৈরি, পণ্যের মোড়কে এমআরপি লেখা না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বা ঔষধ বিক্রয়, খাদ্য পণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণ, প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করা, ভেজাল পণ্য বা ঔষধ বিক্রয়, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রের কারচুপি, ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়, সেবাগ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্নকারী কার্যকলাপ, ওজনে কারচুপি, সেবা প্রদানে অবহেলা ইত্যাদি দ্বারা সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য, জীবনহানি ইত্যাদি ঘটানো এবং পণ্যের মূল্যের তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ৯৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৪ লক্ষ ৯২ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
অন্যদিকে লিখিত অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি, পণ্যের মোড়কে এমআরপি লেখা না থাকা এবং প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করার অপরাধে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আরোপ ও আদায় এবং আইনানুযায়ী ১০ জন অভিযোগকারীকে জরিমানার ২৫ শতাংশ তৎক্ষণাৎ প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটলিয়ন, সিভিল সার্জন, মৎস্য কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বাজার কর্মকর্তা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধি এবং ক্যাবের সদস্যগণ তদারকি কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করেন। এসময় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের মাঝে লিফলেট ও প্যাম্পফ্লেট বিতরণ করা হয়েছে।