২০টি ফায়ার স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

১৮১

নতুন ২০টি ফায়ার স্টেশন এবং ৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরাণীগঞ্জ কারা কমপ্লেক্স এলাকায় মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার এবং কেরানীগঞ্জে একটি এলপিজি স্টেশনও উদ্বোধন করেন তিনি।

আজ (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফায়ার সার্ভিসের আধুনিকায়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগুনে জীবন ও সম্পদের অনেক ক্ষতি হয়। ‘আমাদের সরকার গঠনের আগে এত ফায়ার স্টেশন ছিল না। আমরা দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। পৃথক বার্ন ইনস্টিটিউট করেছি, মানুষের জীবন যেন নিরাপদ হয় সেভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

নতুন ফায়ার স্টেশনগুলো হচ্ছে- নওগাঁ জেলার রানীনগর, রাজশাহীর মোহনপুর, পাবনার সাথিয়া ও আটঘরিয়া, শরিয়তপুরের জাজিরা, বগুড়ার আদমদিঘি ও শাজাহানপুর, জয়পুরহাট, সাতক্ষীরার আশাশুনি ও কলারোয়া, বরিশালের হিজলা, পিরোজপুরের ইন্দুরকানি, মৌলভিবাজারের রাজনগর, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, ব্রাম্মণবাড়িয়ার নবীনগর, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, নেত্রকোনার বারহাট্টা, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ।

ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৯৯-এ ফোন দিলে যেকোনো ধরনের সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। সম্প্রতি হিমছড়িতে একদল শিক্ষার্থী হারিয়ে যাওয়ার পর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ বিমানবাহিনীর সাহায্য নিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এ থেকে বোঝা যায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে যেকোন বিপদ থেকে মানুষকে উদ্ধার করা যায়। আমরা ফায়ার সার্ভিসকে সেভাবে গড়ে তুলব।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে এখন ৪৩৬টি ফায়ার স্টেশন আছে। নতুন ২০টির মাধ্যমে মোট সংখ্যা হলো ৪৫৬টি।

নতুন ৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট সংক্রান্ত সেবা নাগরিকদের আরও কাছে চলে যাবে বলেও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ৭২টি পাসপোর্ট অফিস এবং ২৭টি ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট রয়েছে।

You might also like