গ্রামকে শহর বানানো সরকারের লক্ষ্য নয়: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

৭০

গ্রামকে শহর বানানো সরকারের লক্ষ্য নয়, বরং গ্রামে শহরের যাবতীয় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে হবে-এমনটি জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

আজ বুধবার (২০ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ প্রতিপাদ্যে দেশের প্রতিটি গ্রামে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির দ্বিতীয় সভায় একথা জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে আসা একাধিক প্রস্তাব মূল্যায়ন করে দেখা গেছে, অনেক প্রস্তাবই ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ প্রতিপাদ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এসব নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি দর্শন। এ দর্শন বাস্তবায়নের জন্য যে সকল মন্ত্রণালয়ের কাজের ধরনের মিল আছে সেগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প প্রয়োজন। এই কমিটিগুলো নিয়মিত সভা করে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে এবং সিদ্ধান্তসমূহ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতির কাছে উপস্থাপন করবেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে গ্রামে উন্নত নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে। ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পের পাশাপাশি আর  কোন কোন প্রকল্প নিতে হবে, গুচ্ছ কমিটি তা নির্ধারণ করবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ একক কোনো প্রকল্প নয়। গ্রামকে শহর করার লক্ষ্যে সকল মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রকল্প রয়েছে। সবগুলো প্রকল্পের সমন্বয় হচ্ছে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্প। যেহেতু দেশের প্রতিটি গ্রাম এই প্রকল্পের অধীন, তাই সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এটি চলমান থাকবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, বর্তমান সরকার সবসময়ই গ্রামীন উন্নয়নকে প্রাধান‍্য দিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে দুইবছর অতিবাহিত হয়ে গেছে বাকী সময়ের মধ‍্যে আশা করি ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ উদ্যোগটি দৃশ‍্যমান হবে।

উল্লেখ্য, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৫টি গ্রামকে পাইলটিং হিসেবে নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি কারিগরি প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে এবং তা অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব, অতিরিক্ত সচিব, এলজিইডি ও ডিপিএইচই’র প্রধান প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

You might also like