আখাউড়ায় দেদারছে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদ উত্তীর্ণ নিম্নমানের খেজুর!

২৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পবিত্র রমজান মাসে বাজার গুলোতে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদ উত্তীর্ণ নিম্ন মানের পচাঁ খেজুর। ক্রেতাদের সাথে করা হচ্ছে অভিনব প্রতারনা। ক্রেতাদের যেন নজরে না আসে, তাই সদ্য আমদানিকৃত খেজুরের সঙ্গে মেয়াদ উত্তীর্ণ পচাঁ খেজুর মিশিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। আর এসব খেজুর চমকপ্রদ ও স্বাদ বাড়াতে মেশানো হচ্ছে মিষ্টির সিরা ও সরিষার তেল । এসব অভিনব প্রতারনার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।

এ দিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা খুচরা পর্যায়ে কম খেজুর সরবরাহ করে তৈরি করছে কৃত্রিম সংকট। বিক্রি করছে বাড়তি দরে। ফলে রোজার মধ্যে খেজুরের দাম হু হু করে বাড়ছে। ভোক্তারা বাধ্য হয়ে পণ্যটি বাড়তি দরে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। জানা যায়, খেজুরের কার্টুন ও বস্তা পরিবর্তনের পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখও পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে তা গত বছরের অবিক্রিত খেজুর কিনা তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

শনিবার (১৭এপ্রিল) সকালের দিকে আখাউড়ার সড়ক বাজারে দেখা যায়, বিভিন্ন দেশ থেকে নিম্নমানের খেজুর আমদানি করে পেকেটে ভরে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এসব খেজুরের পেকেটে গা ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে।প্যাকেটে নেই কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ। এছাড়া এ নিম্নমানের খেজুরগুলোর স্বাদ ও চকচকা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে মিষ্টির সিরা ও সরিষার।

যোগাযোগ করা হলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নূর এ আলম বলেন, আসলে এসব মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার এমন ভাবে প্যাকেট করে ক্রেতার হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় তখন সাধারণ ক্রেতার বুঝার উপায় থাকে না। তিনি আরো বলেন, লকডাউন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ব্যস্ততার কারনে আমাদের বাজার মনিটরিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে তবে যে কেউ এই ধরনের প্রতারনা করে গ্রাহক ঠকালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।