আ. লীগ নয়, দেশের টাকা পাচার করেছে বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ নয়. বিএনপির নেতারাই দেশের টাকা পাচার করেছে। রিজার্ভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিজার্ভের টাকা দেশের মানুষের কল্যাণে খরচ হয়েছে । এখনও ৫ মাসের ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ আছে।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার পর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির শাসনামলে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক অধিকার বলে কিছু ছিল না। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে কী হতো তার জন্য বেশি দূর যেতে হবে না। ২০০১ সালের নির্বাচন, মাগুরার নির্বাচন, মিরপুর-১০ নির্বাচনগুলো স্মরণ করলে হবে। কথা ছিল (প্রচলিত) ১০ হোন্ডা, ২০ গুন্ডার নির্বাচন।

তিনি বলেন, ভোটের সিল মারা থেকে শুরু করে নানান অপকর্ম হতো। যার জন্য আমরা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করেছি। ২০০৬ সালে নির্বাচন করার জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট করেছিল বিএনপি।

জিয়ার আমলের নির্বাচনের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তখন নির্বাচন বলতে কিছু ছিল না। ক্যান্টনমেন্টে বসে দল তৈরি করা হয়। দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে জিতে সেই দলকে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আনার জন্য ভোট ঢাকাতি, ভোট চুরি করা হয়। কিছু এলিট শ্রেণিকে চাপ দিয়ে অর্থ দিয়ে তারা দলে ভেড়াতো। এই ছিল তাদের রাজনীতি।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র আছে বলেই বাংলাদেশে এতো উন্নতি হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে ছিল হত্যা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানি লন্ডারিং আর ভোট চুরি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাতেই দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে।

You might also like