ইয়াসের প্রভাবমুক্ত হয়েছে সাতক্ষীরা উপকূল

৩৩

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আঘাত হেনেছে ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে। তবে এর প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকূলে উত্তাল ছিল নদী। সাড়ে ৪ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে নদীতে। কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বাঁধ মেরামতের জন্য কাজ শুরু করেছে।

বুধবার (২৬ মে) বেলা ১১.৪০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের মূল প্রভাব পড়তে শুরু করে সাতক্ষীরা উপকূলে। জলোচ্ছ্বাসের তান্ডব চলেছে টানা তিন ঘন্টা। আম্পানের থেকেও ইয়াসের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ছিল বেশী। বর্তমানে বেলা ৩টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব কেঁটেছে সাতক্ষীরা উপকূলে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারি প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদুল হক জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের সময় জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল ৩ ফিট উচ্চতার। আর ইয়াসের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস হয়েছে সাড়ে ৪ ফিট উচ্চতার। যা আম্পানের থেকে দেড় ফুট বেশী। শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের একটি পর্যেন্টের ২০ হাত বাঁধ ভেঙেছে।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী বলেন, প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাওনিয়া, হরিশখালি, শুভদ্রাকাটি, চাকলা এই চারটি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ডুকছে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান জানান, আশাশুনি উপজেলায় তিনটি পয়েন্টে ভেড়িবাঁধ ভেঙেছে বলে জেনেছি। বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবমুক্ত হয়েছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে তবে এখন আর ভয়ের কিছু নেই।

You might also like