কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা

৩৬

এক যুগ ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলাবাসীর চিকিৎসা সেবা। ২০০৯ সাল থেকে বন্ধ কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবন নির্মাণ ও বর্তমান ভবনের মেরামত কাজ। নির্মাণ ও মেরামত কাজ শুরুর অনেক আগেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন। সামান্য বৃষ্টিতে ছাদ থেকে পানি পড়া, সিলিং ও বিম থেকে কংক্রিট খসে পড়া যেন নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে, অনিয়ম আর অব্যস্থাপনার কারণে বন্ধ রয়েছে কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের কাজ। চিকিৎসক ও কর্মচারীদের আবাসস্থলের অবস্থাও অত্যন্ত করুণ। চিকিৎসক সংকট দীর্ঘদিন ধরে। মোট ১৫ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছেন পাঁচজন।

ঠিকাদারের করা মামলার কারণে নতুন করে ঠিকাদার নিয়োগ করাও সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান।

কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান,বলেন, ওই কমপ্লেক্স ভবনের মেরামতসহ ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ২০০৮ সালে মেসার্স নূর এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেয় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। কার্যাদেশ পেয়ে ঠিকাদার অত্যন্ত নিম্নমানের মালপত্র দিয়ে মেরামত ও ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। ওই সময় এলাকাবাসী সংশ্নিষ্ট দপ্তরে আপত্তি জানান। প্রকৌশল বিভাগ কাজের মান ভালো না হওয়ায় আপত্তি দিলে ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন।

তবে এলাকাবাসির দাবী সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা পাবো আমরা সরকারের কাছে এটা আমাদের প্রত্যাশা।

You might also like