কৃষিজমি কমলে দেশে খাদ্য ঘাটতি হবে: তথ্যমন্ত্রী

অতিরিক্ত অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে কৃষিজমির পরিমাণ কমতে থাকলে দেশে আবারও খাদ্য ঘাটতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অপ্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ থেকে সরে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (১৩ মে) বেলা সাড়ে বারোটায় রাজধানীর ফার্মগেট কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ভবনের কনফারেন্স রুমে জাতীয় কীটতত্ত্ব সমিতির ১১তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮ সালে দেশে ক্ষমতায় এসে প্রথম মন্ত্রীসভা বৈঠকেই কৃষিতে ভর্তুকিসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নেয়।

সরকারের এসব প্রকল্পের মাধ্যমেই দেশ খাদ্য ঘাটতির থেকে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়। বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয়, মাছ, মাংস, আলু, সবজি সহ সকল পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশে বিশ্বের প্রথমদিকে উঠে আসতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ পঞ্চাশ দশকের আগে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল। তখন বিশ্বে ধনী দেশও ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পরে ধীরে ধীরে দেশ পেছাতে থাকে, দেশ গরিব হতে থাকে। আর আজ বাংলাদেশ আবারও কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের চেয়ে চারভাগের একভাগ অথচ তারা বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার কৃষিপণ্য রপ্তানি করে। কিন্তু আমরা এখন অল্প পরিমাণে রপ্তানি করতে পারছি। রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব হলে আবারো বাংলাদেশ ধনী ও উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

জাতীয় কীটতত্ত্ব সমিতির সভাপতি ড. সৈয়দ নুরুল আলমের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শেখ মুহাম্মদ বখতিয়ার। আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কীটতত্ত্ব সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. রেজাউর রহমান।

You might also like