‘ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ মোকাবিলায় প্রস্তুত সরকার’

৬০

ভৌগোলিক কারণে বার বার দেশে আঘাত হানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে সরকার।

রোববার (২৩ মে) মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে ১১০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৩০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩০টি জেলা ত্রাণ গুদাম-কাম-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র ও পাঁচটি মুজিব কিল্লার উদ্বোধন এবং ৫০টি মুজিব কিল্লার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই শুধু এই দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, সারাবিশ্বে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে। জাতির পিতা এই দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই স্বাধীন দেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, আমাদের দুর্যোগ মোকাবিলায় যে সক্ষমতা, সে সক্ষমতা আজ সারাবিশ্বে সমাদৃত। যে কারণে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গ্লোবাল এডাপটেশন সেন্টারের কার্যালয় বাংলাদেশে স্থাপন করা হয়েছে। আমাদের এত ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও একটা ছোট ভৌগলিক সীমারেখায় বিশাল জনগোষ্ঠী নিয়ে প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করেও আমরা মানুষের জীবনরক্ষা করতে পারছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন একটা দুর্যোগ মোকাবিলা করছি, যেটায় আজ সারাবিশ্ব স্থবির হয়ে আছে। সেটা হচ্ছে করোনাভাইরাস। এই করোনাভাইরাস মানুষের জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। কত আপনজনকে আমাদের হারাতে হলো, কত মানুষের মৃত্যু আজ আমাদের দেখতে হলো। এটা সত্যি খুব দুঃখজনক। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, প্রত্যেকে আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। আমরা যেসব নির্দেশনা দিচ্ছি, সেগুলো মেনে চলবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জানি কষ্ট হচ্ছে কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আমরা সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছি, সেই কষ্টটা লাঘব করতে। তারপরও সবার সহযোগিতা চাই, আপনারা যদি সুরক্ষিত থাকেন। আপনি নিজে শুধু সুরক্ষিত থাকছেন না, আপনারা আশপাশের মানুষ, পরিবার তাদেরও সুরক্ষিত করছেন। এই কথাটা মনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আপনারা চলবেন। মাস্ক পরা, এমন কী যারা টিকা নিয়েছেন তাদেরও আমি বলব মাস্ক পরবেন। নিজের বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন। আমরা যেন এই দুর্যোগটাও মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারি।

তিনি বলেন, আমি সতর্ক করছি, আরেকটা ঘূর্ণিঝড় কিন্তু আসছে। সেটা কেবল তৈরি হচ্ছে, কতদূর যাবে এখন আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক আগে থেকে জানতে পারি। সেই বিষয়ে যথেষ্ট সতর্কতা আমরা নিতে শুরু করেছি। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাই সতর্ক থাকবেন, সচেতন থাকবেন।

You might also like