ধর্ষণকারী হিসেবে অস্ট্রেলিয়া পুলিশের নথিতে শাকিব খানের নাম!

১৫

সম্প্রতি দেশীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের জনপ্রিয় সুপারস্টার শাকিব খানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক, পরিচালক ও শিল্পী সমিতি বরাবর ধর্ষণসহ বিস্তর অভিযোগ করেছেন অস্ট্রেলিয়ান বাঙ্গালী প্রবাসী প্রযোজক রহমত উল্লাহ।

তবে সেই অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন শাকিব খান। এবং রহমত উল্ল্যাহকে ভুয়া প্রযোজক দাবি করে তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে গত শনিবার গুলশান মডেল থানায় গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়ক। কিন্তু পুলিশ তার মামলা নেয়নি। তারই ধারাবাহিকতায় গত রোববার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের শরণাপন্ন হয়ে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন শাকিব।

এদিকে, চলচ্চিত্র প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহ শাকিব খানের নামে যে নারী সহ-প্রযোজককে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন তার স্বপক্ষে প্রমাণ হাজির করেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের কাছে অস্ট্রেলিয়া পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের একটি কপি পাঠিয়েছেন ‘অপারেশন অগ্নিপথ’সিনেমার প্রযোজক।

পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের নথিতে মামলার বাদী হিসেবে আছে ধর্ষণের শিকার অ্যানি সাবরিনের নাম। আর স্বাক্ষী হিসেবে নাম রয়েছে প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহর। মামলাটি করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের সেন্ট জর্জ পুলিশ স্টেশনে। রিপোর্টে রয়েছে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শাকিব খান ওরফে রানার নাম ।

অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ তদন্ত করে মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে লা স্যান্ডস হোটেল কক্ষে ধর্ষণকারী শাকিব খান মধ্যপ অবস্থায় মাতাল হয়ে অ্যানি সাবরিনের উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন।

পুলিশ সেই প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে, শাকিব খান ওরফে রানা একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা। ভুক্তভোগী অ্যানি সাবরিন তার আঙ্কেল রহমত উল্ল্যাহর চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে প্রযোজক হিসেবে কাজ করেন।

অস্ট্রেলিয়ায় শাকিব খানের সঙ্গে অ্যানি সাবরিনের প্রথম দেখা হয় ২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট। এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া শাকিব খানের নিয়মিত ট্রান্সপোর্ট, হোটেল, খাওয়া-দাওয়া ও যাবতীয় বিষয়াদি দেখাশোনা করতেন অ্যানি।

You might also like