নীলফামারীতে শীতের তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত

৪৩

ঋতু পরিবর্তনের শেষ সময় হলেও হিমালয়ের পাদদেশে উত্তরের জেলা নীলফামারীতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বেলা ১২টার আগে দেখা মিলছে না সূর্যের। কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে কাজে যেতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক ও শ্রমিকরা। এদিকে, গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েছে দুস্থদের। সরকারিভাবে কিছু শীতবস্ত্র দেয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

ঘন কুয়াশার চাদর ভেদ করে আলো ছড়াতে পারছে না সূর্য। ঘন কুয়াশার চাঁদরে ঢাকা পড়েছে গোটা উত্তরাঞ্চল। বেলা ১২টার আগে দেখা মিলছে না সূর্যের। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে।

কনকনে ঠাণ্ডায় শীত বস্ত্রের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছে জেলার দু’লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষ। তাই তারা বাধ্য হয়ে ভিড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের ওপর বসা গরম কাপড়ের দোকানে। সরকারিভাবে কিছু শীতবস্ত্র দেয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

এদিকে, ঠান্ডার কারণে কাজে যেতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক ও শ্রমিকরা। ফলে শুধু শীতের কষ্ট নয় উপার্জনের অভাবে অনেকটা অনাহারে অর্ধাহারে কাটছে তাদের বেশীরভাগ দিন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসনের এ কর্মকর্তা জানালেন, প্রায় দু’লক্ষাধিক শীতার্ত মানুষের মধ্যে সরকারিভাবে এ পর্যন্ত মাত্র সাড়ে চার হাজার মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

তীব্র শীত থেকে নীলফামারীর দরিদ্র মানুষদের বাঁচাতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও এবং ধর্ণাঢ্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকেই।

You might also like