নৌ-পর্যটনের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

৩৩

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, নৌ-পর্যটনের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। বাংলাদেশের নদীকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-এ শিমুলিয়া ঘাট থেকে ঢাকা ক্রুজ এন্ড লজিস্টিকসের আয়োজনে ‘পদ্মা ক্রুজ’ নামে নৌভ্রমণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মাহবুব আলী বলেন, সরকারের জাতীয় পর্যটন উন্নয়ন নীতিমালাতে নৌ-পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের পর্যটন শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নে যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন হচ্ছে সেখানেও নৌ-পর্যটনকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। নৌ-পর্যটন টেকসই পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে পদ্মা সেতু আজ বাস্তবতা। এটি দেশের উন্নয়ন সক্ষমতার প্রতীক। এই সেতু নদীর দুই পাড়ের মানুষকে আরো গভীরভাবে সংযুক্ত করবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করবে। বর্তমানে পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ এই সেতু।

মাহবুব আলী বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি অংশীজনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে বেসরকারি অংশীজনদের সহায়তা করার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সবসময় আন্তরিক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, পদ্মায় নৌ-ভ্রমন আয়োজনে পদ্মা ক্রুজ নামে থাকবে দু’টি ভিন্ন ভিন্ন প্যাকেজ। মাওয়া ঘাট থেকে প্রতিদিন ডে ক্রুজ (সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টা) এবং বৈকালিক ক্রুজ ( দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা) পরিচালিত হবে। নৌ-ভ্রমণ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত থাকবে দুপুরের খাবার ও হালকা নাস্তা এবং সার্বক্ষণিক চা ও কফি। পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী ভ্রমণসূচি ও খাবার মেনু পরিবর্তনেরও সুযোগ রয়েছে।

You might also like