পলিশ করলে চালের পুষ্টি অপচয় হয় : খাদ্যমন্ত্রী

পলিশ করলে চালের পুষ্টি অপচয় হয় জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, এক শ্রেণির ব্যবসায়ী চাল ছেঁটে পলিশের মাধ্যমে চকচকে করে বাজারজাত করে। যে অংশটি ছেঁটে ফেলা হয় তা পুরোটাই চালের পুষ্টির অংশ। ফলে পুষ্টি অপচয় হয়।

শনিবার (১ অক্টোবর) ঢাকায় শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক নিউট্রিশন অলিম্পিয়াড ২০২২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি ১০০ মেট্রিকটন পলিশ করা চালের মধ্যে অপচয় হয় ৫ মেট্রিকটন যার পুরোটাই পুষ্টির অংশ। চকচকে চালে পুষ্টি থাকে না।

তিনি বলেন, যে চাল খেয়ে জীবনধারণ করতে হয়, তাতে পুষ্টি না থাকলে জনগণ অপুষ্টিতে ভুগবে। এটা হবে আমাদের জন্য পীড়াদায়ক।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্য মন্ত্রণালয় দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটি জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম চলমান আছে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শহিদুর রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. নাজমা শাহীন, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশনের (গেইন) কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. রুদাবা খন্দকার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফপিএমইউ’র মহাপরিচালক মো. শহীদুজ্জামান ফারুকী।

You might also like