ফেলুদায় নতুন মুখ

৫৪

১৯৬৫ সালের ডিসেম্বরে ‘সন্দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ফেলুদার প্রথম গল্প ‘ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি’। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এই সিরিজের মোট ৩৫টি সম্পূর্ণ ও চারটি অসম্পূর্ণ গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। সোনার কেল্লা’ আর ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’ ছাড়া সত্যজিতের হাতে আর কোনও ফেলুদা পর্দায় স্থান পাওয়ার সুযোগ পায়নি।

সাহিত্যে হোক কিংবা পর্দায় ‘ফেলুদা’ মানেই বাঙালির নিখাদ ভালোবাসা,অধিকার এবং  অহংকার। বড়পর্দায় সন্দীপ রায়ের হাত ধরে ফের আসছেন বাঙালির সাসপেন্স হিরো ফেলুদা। কিন্তু ফেলুভক্তদের প্রশ্ন কে হচ্ছেন ফেলুদা ?

‘উচ্চতায় ছ ফুট সাড়ে তিন ইঞ্চি, বুকের ছাতি ছেচল্লিশ ইঞ্চি কোমর বত্রিশ, কাঁধ বাইশ, কব্জি সাড়ে আট’ আর হাতে চার্মিনার। পর্দায় প্রথম ‘ফেলু মিত্তির’ রূপে এসেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এরপর প্রদোষচন্দ্র মিত্তিরের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে সব্যসাচী চক্রবর্তী ও আবির চট্টোপাধ্যায়কে। গত ডিসেম্বরে  সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ছিন্নমস্তার অভিশাপ’ ওয়েব সিরিজে পর্দায় এসেছিলেন টোটা রায়চৌধুরী।

তবে এবার নতুন মুখে ফেলুদাকে দেখা যাবে পর্দায়। এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে টলিপাড়ায়। নতুন প্রদোষ চন্দ্র মিত্রের সন্ধান পেয়েছেন সন্দীপ রায়। সন্দীপ রায়ের পছন্দের ফেলুদা হিসাবে দেখা যাবে ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকে।

সত্যজিতের বর্ণনায় সুঠাম, মেদহীন, স্মার্ট ফেলুদার সঙ্গে ইন্দ্রনীলকেই মানায়। ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত এর আগেও বাংলার আরেক আইকনিক গোয়েন্দা ‘কিরীটি রায়’-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, ঋতুপর্ণ ঘোষ, সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও কৌশিক গাঙ্গুলির মতো বাংলার প্রথম সারির পরিচালকদের ছবিতে অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল।

‘নতুন ফেলুদা’-র নাম ঘোষণার পর থেকেই কে হবেন ফেলুদা তা নিয়ে আগ্রহের খমতি নেই দর্শক মহলে। নতুন ফেলুদাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় আছেন সাসপেন্স প্রিয় হাজার বাঙালি। তবে অপেক্ষার অবসান হবে খুব শিগগিরি।

You might also like