বাগান করেছেন মম

২৭

করোনায় এমনিতেই কাজ কম। তিন মাস ধরে তাই বাগান নিয়ে মেতেছেন মম। উত্তরার বাসা ও ছাদ মিলিয়ে তাঁর লাগানো গাছের সংখ্যা এখন শ খানেক। নানা জাতের ফুলের গাছ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে হরেক রকম সবজি এবং পছন্দের কিছু গাছ।

বাগান সম্পর্কে মম জানান, ‘একদম ভালো লাগা থেকেই এটা করেছেন তিনি। করোনায় এটা তার নতুন উপলব্ধি। ছোটবেলায় গাছ লাগাতে ভালো লাগা কাজ করত মমর। মমর কথায় মানুষ দেখতে সুন্দর কিন্তু কার্যকলাপ বড় নির্মম। মানুষকে দেখে আতঙ্ক হয়। অন্যদিকে গাছ তো শুধু দিতেই থাকে—আমরা চাই বা না চাই। তাই গাছকেই মনে হয় আপন। এই সময় তাই গাছের পরিচর্যা নিয়ে থাকছি, খুব ভালো লাগছে। আনন্দ খুঁজে পাচ্ছি। অসাধারণ সময় কাটছে।’

মম জানান, তাঁর ছাদ ও ঘরের বারান্দায় রজনীগন্ধা, বেলি, হাসনাহেনা, জুঁই, জারুল, কামিনী, চাঁপা, গন্ধরাজ, গোলাপ, নয়নতারাসহ অনেক ফুলের গাছ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই মৌসুমে যত ধরনের ফুল হয়, সব ধরনের ফুলের গাছ আছে। পরিসর আরও বাড়ানোর চেষ্টা কছেন তিনি। কথায় কথায় মম আরও জানান, ঘোরাঘুরিতেও সবুজে ঘেরা জায়গা তাঁর বেশি পছন্দ। সমুদ্রও টানে, কিন্তু ভালো লাগে বেশি পাহাড়ি জায়গা। বাংলাদেশে মমর সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে পাহাড়ি এলাকা।

ভালো লাগার মানুষের প্রসঙ্গে মম জানান জয়া আহসানের নাম। তিনি বলেন, ‘জয়া আপার ক্যারিয়ার গ্রাফটা চমৎকার। তাঁর কাজ নির্বাচনের ব্যাপারটাও প্রশংসার দাবিদার। তাই তিনি আমাকে প্রভাবিত করেন, তা কখনোই অনুকরণ বা অনুসরণ ধরনের কিছু নয়।’

নিজের কম কাজ করার পেছনে জয়া আহসানের প্রভাব আছে কিনা জানতে চাইলে  মম বলেন, ‘এটা তো আসলে বিশ্বব্যাপী হচ্ছে, মানসম্মত কাজ যাঁরাই করেন, তাঁরা এই পদ্ধতি অবলম্বন করেন। আমিও তা–ই মানার চেষ্টা করি।

You might also like